বিনোদন ডেস্ক
পারিবারিকভাবেই সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলে বেড়ে উঠেছেন রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী দেবলীনা সুর। শাস্ত্রীয় সংগীতে দক্ষতা অর্জন করে তিনি গানের টানে যান শান্তি নিকেতনে। বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রবীন্দ্রসংগীতে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন।
প্রত্যেক বছর দুর্গাপূজা মানেই তার প্রচণ্ড কর্মব্যস্ততা। এবারও টিভি থেকে শুরু করে পূজার মণ্ডপ পর্যন্ত তার ব্যস্ততা লেগেই আছে। এরই মধ্যে দেবলীনা সুর জানালেন দুর্গাপূজা ও তার কাজ নিয়ে নানান কথা- শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এবং বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির ব্যবস্থাপনায় ‘শারদীয় সাংস্কৃতিক উৎসব ২০২৫’ আয়োজন করা হচ্ছে। আগামী বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত শিল্পকলা একাডেমির নন্দনমঞ্চে অনুষ্ঠিত হবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
একক সংগীত পরিবেশন করবেন শিল্পী দেবলীনা। এছাড়া আগামীকাল এটিএন বাংলার সরাসরি লাইফস্টাইল অনুষ্ঠান ‘লাইফ এন্ড বিউটি’ তে অতিথি থাকবেন দেবলীনা। আরটিভিতে প্রচারিত হবে ‘এই রাত তোমার আমার’ গানের অনুষ্ঠান। আগামী বৃহস্পতিবার সকালে এনটিভির সরাসরি গানের অনুষ্ঠান ‘আজ সকালের গান’ অনুষ্ঠানে গান করবেন এবং রাতে এটিএন বাংলার সরাসরি গানের অনুষ্ঠান ‘মিউজিক লাউঞ্জ’ সংগীত পরিবেশন করবেন, এই দিন রাত ৮ টায় একুশে টিভির ‘রূপ লাবণ্য’ অনুষ্ঠানের অতিথি থাকবেন তিনি।
শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে একটি টিভিসি’র জিংগেলে ‘গৌরী এলো দেখবে চলো’ কণ্ঠ দিয়েছেন দেবলীনা। দুর্গা পূজা উপলক্ষে আমার রাত পোহালো শারদ প্রাতে রবীন্দ্র সংগীত এর গানচিত্রের কাজ চলছে পূজার মধ্যে ইউটিউব ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তা প্রকাশ পাবে।
দেবোলিনার পারিবারিক ঐতিহ্য ছিল চমৎকার এবং এর ফলে তিনি সঙ্গীতের সাথে এগিয়ে যান। ১৯৯০/১৯৯১ সালে ৪/৫ বছর বয়সে তিনি মঞ্চে অভিনয় শুরু করেন। শিশু শিল্পী হিসেবে তিনি অনেক পুরষ্কার এবং জাতীয় পুরষ্কার ‘নতুন কুড়ি’ অর্জন করেন, ‘সংকেত’ জাতীয় পুরষ্কার তার মধ্যে একটি। তিনি শান্তিনিকেতনের বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে যান এবং সেখানে তিনি রবীন্দ্র সঙ্গীতের সাথে বি-মাস অনার্স সম্পন্ন করেন। সেখানে তিনি প্রথম শ্রেণী অর্জন করেন। স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়, গোরা সর্বাধিকারী, বাসবী মুখোপাধ্যায়ের কাছ থেকে ব্যক্তিগতভাবে সঙ্গীত শেখার সুযোগ পান।
এরপর তিনি আইসিসিআর স্কলারশিপ নিয়ে রবীন্দ্র ভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে যান। সেখানে তিনি রবীন্দ্রসঙ্গীতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন এবং এবার আবারও তিনি প্রথম শ্রেণী অর্জন করেন। এ বিশ্ববিদ্যালয়ে সংগীতশিক্ষা গ্রহণ কালে পশ্চিমবঙ্গ কেন্দ্রীয় তথ্য অধিদপ্তর আয়োজিত ‘রাজ্য সঙ্গীত’ প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে লোকসংগীতে প্রথম স্থান লাভ করেন। (ভারতে জাতীয় প্রতিযোগিতা) এবং অমর পাল, কল্যাণ সেন বরাট, নির্মলা মিশ্র এবং আরও অনেক কিংবদন্তি গায়কদের সাথে বেশ কয়েকবার মঞ্চ ভাগাভাগি করার সুযোগ পান।
