নিজস্ব প্রতিবেদক॥ ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে এক অনন্য অর্জন যুক্ত হয়েছে। প্রতিষ্ঠার পর প্রথমবারের মতো “ফল-২০২৫” সেমিস্টারে বিশ্ববিদ্যালয়টি সর্বোচ্চ শিক্ষার্থী ভর্তি করে অতীতের সকল ভর্তির রেকর্ড অতিক্রম করেছে। এটি ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য এক ঐতিহাসিক মাইলফলক। এই অভূতপূর্ব সাফল্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি বোর্ডের সম্মানিত সকল সদস্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল ফ্যাকাল্টি মেম্বার , কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেছেন। এবং ভর্তি কার্য্যক্রমের এই ইতিবাচক ধারা অব্যাহত রাখার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে নির্দেশ প্রদান করেন। এ প্রসঙ্গে মাননীয় ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. সৈয়দ সামসুদ্দিন আহমেদ বলেন,
“ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার মূল লক্ষ্য ছিল জেলার মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য নিজ এলাকায় মানসম্পন্ন উচ্চশিক্ষার সুযোগ সৃষ্টি করা। আজকের এই সাফল্য প্রমাণ করে আমরা সেই লক্ষ্য অর্জনের পথে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেছি।”
ভর্তি কার্যক্রমে সংশ্লিষ্ট সকল শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি আগামী “স্প্রিং-২০২৬” সেমিস্টারেও সর্বোচ্চ ভর্তির নতুন রেকর্ড গড়ার নির্দেশনা প্রদান করেন। এ লক্ষ্যে তিনি কলা অনুষদের ডিন ড. মোঃ শাহ আলম-কে আহ্বায়ক করে নতুন এডমিশন কমিটি গঠন করেন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ফলে রাজধানী ঢাকা, চট্টগ্রাম বা সিলেট অঞ্চলে পড়াশোনা করতে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের যাতায়াত, অতিরিক্ত খরচ এবং নানা হয়রানির যে সমস্যার সম্মুখীন হতে হতো, তা এখন অনেকটাই দূর হয়েছে। এখন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার শিক্ষার্থীরা নিজ জেলা থেকেই আন্তর্জাতিক মানের উচ্চশিক্ষা গ্রহণের সুযোগ পাচ্ছেন।
স্থানীয় শিক্ষাপ্রেমী সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা পূরণে ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিশ্ববিদ্যালয় ধারাবাহিকভাবে কাজ করছে। ফলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জনগণ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছেন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পর থেকে জেলার শিক্ষা অঙ্গনে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়টি এখন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার উচ্চশিক্ষার প্রধান কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মানোন্নয়নে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বিভিন্ন আধুনিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে, যা আগামীতেও অব্যাহত থাকবে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের বিশ্বাস, আগামী দিনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিশ্ববিদ্যালয় শুধু জেলার নয়, বাংলাদেশের একটি প্রতিশ্রুতিশীল ও মানসম্পন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে জাতীয় পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
