নিজস্ব প্রতিবেদক
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কুরুলিয়া নদীর রেলসেতুর নিচ দিয়ে বাল্কহেড চলাচল নিষেধ, তবু নিয়ম ভঙ্গের চিত্র স্পষ্ট চোখে পড়ছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস নদীর একটি শাখা কুরুলিয়া নদীর ওপর নির্মিত রেলসেতুর পিলারে সাঁটানো রয়েছে একটি সতর্কীকরণ বিজ্ঞপ্তি, যেখানে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে-এই সেতুর নিচ দিয়ে বাল্কহেড ও ভারী নৌযান চলাচল সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। বিজ্ঞপ্তিটি জারি করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। তবে বাস্তব চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন। নিয়ম অনুযায়ী এ রকম নৌযান চলাচল বন্ধ থাকার কথা থাকলেও সম্প্রতি সরেজমিনে দেখা গেছে, নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বালুবাহী বাল্কহেড নিয়মিতভাবে চলাচল করছে। এমনকি দুই দিন আগেও অভিযান পরিচালিত হয় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে, কিন্তু আজই আবার সেই নিষিদ্ধ পথেই বাল্কহেড চলতে দেখা গেছে। প্রশ্ন থেকে যায়-বিজ্ঞপ্তিটি কে পড়ছে? কে পড়াচ্ছে? আর সবচেয়ে বড় কথা, কে এই নিয়ম মানছে, বা মানাচ্ছে? নিরাপত্তা ও নিয়ম ভাঙার এই চিত্র শুধু সেতুর স্থায়িত্বের জন্য নয়, আশপাশের পরিবেশ ও জননিরাপত্তার জন্যও ঝুঁকিপূর্ণ। নদীপথে ভারী যান চলাচল রেলসেতুর গঠনগত স্থায়িত্বে প্রভাব ফেলতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন। স্থানীয়দের অনেকেই মনে করছেন, নিয়মিত নজরদারি ও আইন প্রয়োগের অভাবেই এই অনিয়ম দিন দিন বেড়ে চলেছে। তারা প্রশ্ন তুলেছেন-যদি অভিযান করেও এর স্থায়ী সমাধান না হয়, তবে আসলে কী উদ্দেশ্যে এসব অভিযান পরিচালিত হচ্ছে? এবিষয়ে আপাতত কিছুদিন নিয়মিত নজরদারি বা তদারকি বাড়ানো দরকার বলে মনে করছেন সচেতন মহল।
