সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি
যমুনা পাড়ের সিরাজগঞ্জে তিনদিন ধরে সূর্যের দেখা নেই। কুয়াশায় ঢাকা পুরো জেলা, যার সঙ্গে তীব্র হিমেল বাতাস মিলিত হয়ে শীতের তীব্রতা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
প্রচণ্ড শীতে মানুষের দৈনন্দিন জীবন বিপর্যস্ত হচ্ছে। শীতজনিত রোগে প্রতিদিন শতশত রোগী হাসপাতালে ভিড় করছেন। গরম কাপড়ের দোকানেও ক্রেতাদের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।
সোমবার বিভিন্ন এলাকায় দেখা গেছে, শীত নিবারণের জন্য ছিন্নমূল মানুষ আগুন জ্বালিয়ে শরীর গরম করছেন। সরকারের বরাদ্দ করা কম্বল সীমিত থাকায় অনেক শীতার্ত সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। এ অবস্থায় সকলের সহায়তা কামনা করেছেন তারা।
গত শনিবার থেকে সূর্যের রোদ না থাকায় শ্রমজীবী মানুষদের দৈনন্দিন কাজকর্মও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। রিকশা ও ভ্যানচালকরা শীতে জবুথবু হয়ে ঘর থেকে বের হচ্ছেন। কিন্তু যাত্রী কম হওয়ায় আগের মতো আয় হচ্ছে না। ঘন কুয়াশার কারণে সড়ক ও মহাসড়কে হেডলাইট জ্বালিয়ে যানবাহন চলাচল করতে দেখা গেছে।
শিশু ও বয়স্করা শীতজনিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। চিকিৎসকরা পরামর্শ দিচ্ছেন, ঠান্ডাজনিত রোগ থেকে রক্ষা পেতে সব সময় গরম কাপড় ব্যবহার করা এবং শরীরের যত্ন নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।
বাঘাবাড়ী আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়া কর্মকর্তা মোস্তফা কামাল জানান, সিরাজগঞ্জে সোমবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১২.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
