অনলাইন ডেস্ক
দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর—মরুভূমির বুকে এক যান্ত্রিক বিস্ময়। যেখানে সেকেন্ডের কাঁটায় ঘোরে কয়েক হাজার মানুষের ভাগ্য। কিন্তু সেই ব্যস্ততম বন্দরে যখন প্রতি মিনিটে ১২ কোটি টাকা লোকসানের হিসাব কষতে হয়, তখন তা কেবল একটি সংখ্যা থাকে না; তা হয়ে ওঠে এক রুদ্ধশ্বাস হাহাকার। ভাবুন তো, ঘড়ির কাঁটা একবার টিক্ শব্দ করার আগেই গলে যাচ্ছে কোটি কোটি টাকার স্বপ্ন! একটি বিশাল রানওয়ে, যেখানে প্রতি মুহূর্তে ডানা মেলার অপেক্ষায় থাকে শত শত বিমান, সেখানে হঠাৎ স্থবিরতা নেমে আসা মানে কেবল ইঞ্জিনের গর্জন থামা নয়, বরং অর্থনীতির হৃদপিণ্ডে রক্তক্ষরণ। প্রতিটি মিনিট পার হওয়া মানে এক একটি বিশাল অংকের লোকসান, যা নিস্তব্ধ বাতাসের মতো ভারী হয়ে চেপে বসে সংশ্লিষ্ট সবার বুকে। এই বিপুল ক্ষতির পেছনে লুকিয়ে থাকে হাজারো মানুষের শ্রম, অনিশ্চয়তা আর এক অদৃশ্য লড়াই। দুবাইয়ের মতো সচল আর প্রাণবন্ত এক শহরের নাড়ির স্পন্দন যেখানে থমকে যায়, সেখানে প্রতিটি মুহূর্তের এই আর্থিক বিচ্ছেদ যেন এক আধুনিক ট্র্যাজেডি। টাকার অঙ্কে এই ক্ষতি অপূরণীয়, আর সময়ের হিসেবে তা যেন এক অনন্ত প্রতীক্ষার দহন। মধ্যপ্রাচ্যের এই সংঘাত এখনই না থামলে আগামীদিনে দুবাই ফিরে যাবে সেই আগের মরুভুমিতে।
