অনলাইন ডেস্ক
ঝালকাঠিতে নিলুফা ইয়াসমিন নামের পঞ্চাশোর্ধ্ব এক বৃদ্ধাকে হত্যার অভিযোগে সজল খান নামের এক অভিযুক্ত যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
রবিবার রাতে সজলকে গ্রেফতারের পর তার কাছ থেকে নিহত নিলুফার ইয়াসমিনের নাক ও কানের স্বর্ণালংকার এবং একটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।
অভিযুক্ত সজল নিহত নিলুফার ইয়াসমিনের ছেলের বন্ধু। নিলুফার ইয়াসমিনের নাক ও কানে ব্যবহৃত স্বর্ণালংকার লুফে নিতেই তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে পুলিশের কাছে স্বীকার করেছে সজল।
এদিকে, রবিবার মধ্যরাতে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সামনে নিলুফা ইয়াসমিন খুনের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে সজলের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবিতে সামনে বিক্ষোভ করেছে স্থানীয়রা।
এছাড়া, সোমবার ঝালকাঠি প্রেস ক্লাবের সামনের সড়কে ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন নিহতের পরিবার ও এলাকার নারী-পুরুষ।
উল্লেখ্য, গত ২০ জানু্য়ারি সকাল ৬টায় ঝালকাঠি পৌরখেয়াঘাট এলাকায় সুগন্ধা নদীর পাড় থেকে নিলুফা ইয়াসমিন নামের ওই নারীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
সুরতহাল প্রতিবেদনে নিহতের নাকে রক্তের দাগ পাওয়া যায়। কানের দুল ও নাকফুল নেওয়ার জন্যই ওই নারীকে খুন করা হয় বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করে পুলিশ ও এলাকাবাসী।
ঝালকাঠি সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. ইমতিয়াজ আহম্মেদ গণমাধ্যমকে জানান, নিহত বৃদ্ধার ছেলে ইলিয়াসের বন্ধু সজলকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার প্রমাণ মিলেছে। সজলের ঘর থেকে নিহতের নাক ও কানের দুলসহ মোবাইল ফোনটিও উদ্ধার করা হয়েছে। এ বিষয়ে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
