অনলাইন ডেস্ক
দিনাজপুরের বীরগঞ্জে একটি বেসরকারি ক্লিনিকে সিজারিয়ান অস্ত্রোপচারের সময় সমেজা খাতুন (২৫) নামে এক প্রসূতির মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। এসময় ক্লিনিকে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে বিক্ষুব্ধ জনতা। ঘটনার পর থেকে ক্লিনিক মালিক ও স্টাফরা পলাতক রয়েছেন। মৃত সমেজা খাতুন কাহারোল উপজেলার সরঞ্জা গ্রামের আব্দুর রাজ্জাকের স্ত্রী।
শুক্রবার বিকেলে বীরগঞ্জ পৌর শহরের পোস্ট অফিস মোড় সংলগ্ন বীরগঞ্জ ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে এ ঘটনা ঘটে। এরপর ভাংচুরের ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর উত্তেজিত স্বজন ও এলাকাবাসী ক্লিনিকের সামনে আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করে। এরপর উত্তেজিত জনতা ক্লিনিকে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে। সংবাদ পেয়ে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) দীপংকর বর্মন ক্লিনিকটি সিলগালা করে দেয়।
নিহতের পরিবারের লোকজন জানান, শুক্রবার বিকেলে ক্লিনিকে ভর্তি করা হলে ডাঃ বকুল হোসেন অস্ত্রোপচারের সময় অতিরিক্ত রক্তক্ষরণসহ নানা জটিলতা দেখা দেয়। তাঁদের দাবি, ভুল চিকিৎসায় সমেজার মৃত্যু হলেও ক্লিনিক মালিক বেলাল হোসেন ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে তড়িঘড়ি করে একটি মাইক্রোবাসে ডাক্তার বকুল হোসেনসহ রোগী ও স্বজনদের দিনাজপুর জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশনে পাঠিয়ে দেয়।
