আলা উদ্দিন চুনারুঘাট (হবিগঞ্জ)প্রতিনিধিঃ হবিগঞ্জ জেলা চুনারুঘাট উপজেলার ১ নং গাজীপুর ইউনিয়নের কেদারাকোট এলাকায় প্রায় ৪৯ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হয়েছে দৃষ্টিনন্দন ও আধুনিক বাল্লা স্থলবন্দর। তবে বন্দরের আধুনিক অবকাঠামো উভয় দেশের পুরোপুরি প্রস্তুত থাকলেও সব ধরনের কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে,এতে বাংলাদেশের প্রায় ৪৯/৫৫ কোটি টাকার রাজস্ব নষ্ট হয়ে যাচ্চে অন্যদিকে বন্দরের পূর্ণাঙ্গ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন সাধারণ মানুষ, ব্যবসায়ী ও দুই দেশের পাসপোর্টধারী যাত্রীরা। খোঁজ নিয়ে জানা যায় খোয়াই নদীর উপর সেতু না থাকায় নদী পার হয়ে পুরানো চেকপোস্টে যাতায়াত করতে হয়। পর্যটন ব্যবসায়িক কাজ কিংবা ভারতে চিকিৎসার উদ্দেশ্যে যাওয়া হাজার হাজার যাত্রী প্রতি দিন চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন। বর্ষা মৌসুমে নদীর প্রখর স্রোতে পার হতে গিয়ে যাত্রী সাধারণকে প্রতিনিয়ত জীবনের ঝুঁকি নিতে হচ্ছে। জরাজীর্ণ স্থান থেকে ইমিগ্রেশন কার্যক্রম অবিলম্বে কেদারাকোটে নির্মিত নতুন স্থলবন্দর চত্বরে সরিয়ে নেওয়া খুবই জরুরি । নদী পারাপারের ভয়াবহ ঝুঁকি এড়িয়ে পাসপোর্টধারী যাত্রীদের দ্রুত আধুনিক ও মানসম্মত সেবা সুনিশ্চিত করা। রাজস্ব বৃদ্ধি ও ব্যবসা বাণিজ্য বন্দরটি পুরোপুরি সচল হলে সীমান্ত বাণিজ্যে গতি ফিরবে এবং সরকারের ঘরে প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ রাজস্ব জমা হবে বলে জানাযায় । লাখ লাখ মানুষের যাতায়াত সহজ করতে এবং জাতীয় অর্থনীতিতে গতি আনতে ৪৯ কোটি টাকার এই মেগা প্রকল্পটিকে দ্রুত পুরোদমে চালুর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়ও সচেতন মহল। দ্রুত ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট স্থানান্তরে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি ও জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করছেন সবাই। বাল্লাস্থল বন্দরের কর্মরত টি আই মো. হারুনুর রশিদ এবং সুপারেন্টেট সবুজ চন্দ রায় প্রতিদিনের বাংলাদেশ চুনারুঘাট প্রতিনিধিকে এক সাক্ষাৎকারে জানান বাল্লাস্থল বন্দর এবং ভারতের ইমিগ্রেশন দুইটি দেশের যাতায়াতের জন্য যা দরকার তা পরিপূর্ণ ভাবে পস্তুুত রয়েছে কোন ধনের কাজ বাকি নেই শুধু নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের অনুমতি পেলেই এই বন্দরটি কার্যক্রম চালানো সম্ভব সরকারের কোন ধরনের ব্যয় নেই সেখানে এখন সরকারের-রাষ্ট্রের আয়ের সময়, কিন্তুু নির্দিষ্ট মন্ত্রণালয় কেন এর উদ্যোগ নিচ্ছে না এমন প্রশ্নের জবাব দিতে রাজি নন কর্তৃপক্ষরা। নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানান চুনারুঘাট-মাধবপুরের মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব এস এম ফয়সল সাহেব যদি নির্দিষ্ট মন্ত্রণালয়ে আবেদন করলেই চালু করা সম্ভব বলে জানান তারা। এলাকার এক পথচারীদের সাথে কথা বলে জানাযায় রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে এই বন্দরটি বন্ধ রয়েছে এবং সুবিধাবঞ্চিত রয়েছে হাজার হাজার সাধারণ মানুষ এবং শ্রমজীবি মানুষ। সাধার মানুষের জনমনে প্রশ্ন সব টিকটাক থাকা সত্ত্বেও চালু হচ্ছে না এই বন্দরটি এই বন্দর চালু হলে হাজার হাজার মানুষ কর্মকরে জীবিকা নির্বাহ করে চলতে পারত এবং রাষ্ট্রের রাজস্ব খাতে কোটি কোটি টাকা আয় হত তা না করে প্রতি বছর এই বন্দরে মাসে ৬০থেকে ৭০ হাজার টাকা সরকারে রাজস্ব থেকে ব্যয় হয়। চুনারুঘাটের সকল জনসাধারণের প্রাণের দাবী দেশের সরকার এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের প্রতি অতিদ্রুত বাল্লাস্থল বন্দর চালু করে দেওয়ার জন্য অনুরোধ জানান সচেতন মহল।
